অনেক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে টাকা জমা করা সহজ, কিন্তু তোলার সময় নানা ঝামেলা পোহাতে হয়। dg111-এ বিষয়টা সম্পূর্ণ আলাদা। এখানে উইথড্র প্রক্রিয়া এতটাই সরল যে নতুন ব্যবহারকারীরাও কোনো গাইড ছাড়াই প্রথমবার সফলভাবে টাকা তুলতে পারেন।
dg111-এ উইথড্রের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো গতি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রিকোয়েস্ট দেওয়ার ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে টাকা আপনার মোবাইল ব্যাংকিং বা নগদ নম্বরে পৌঁছে যায়। রাতের বেলা বা সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও এই সার্ভিস চালু থাকে কারণ dg111-এর ফিনান্স টিম ২৪ ঘণ্টা কাজ করে।
dg111 উইথড্রের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার লুকানো চার্জ নেই। আপনি যে পরিমাণ উইথড্র করবেন, ঠিক সেই পরিমাণই আপনার মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে পাবেন। কিছু প্রতিযোগী প্ল্যাটফর্ম প্রসেসিং ফি কাটে, কিন্তু dg111-এ সেটা হয় না।
নিরাপত্তা ও যাচাই প্রক্রিয়া
dg111-এ প্রতিটি উইথড্র রিকোয়েস্ট নিরাপত্তার জন্য যাচাই করা হয়। এটা একটু সময় নিলেও এর উদ্দেশ্য হলো আপনার অ্যাকাউন্টকে অননুমোদিত লেনদেন থেকে রক্ষা করা। একবার আপনার অ্যাকাউন্ট ভেরিফাইড হলে পরবর্তী উইথড্রগুলো আরও দ্রুত প্রসেস হয়।
প্রথমবার উইথড্র করার সময় dg111 আপনার পরিচয় নিশ্চিত করতে একটি সহজ KYC প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের একটি ছবি এবং সেলফি আপলোড করলেই হয়। এই যাচাই একবার হয়ে গেলে পরে আর করতে হয় না।
মোবাইল থেকে উইথড্র
dg111 অ্যাপ ডাউনলোড করলে স্মার্টফোন থেকেই মাত র কয়েক ট্যাপেই উইথড্র করা যায়। অ্যাপের ড্যাশবোর্ড থেকে সরাসরি উইথড্র বিভাগে যান, পরিমাণ লিখুন এবং আপনার পছন্দের পেমেন্ট পদ্ধতি বেছে নিন। পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে উইথড্র সফল হলে সঙ্গে সঙ্গে জানা যাবে।
দিনের যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে উইথড্র করার সুবিধা dg111-কে বাংলাদেশের বেটারদের কাছে এত জনপ্রিয় করে তুলেছে। মাঠে বসে ম্যাচ দেখতে দেখতেও জেতার টাকা সঙ্গে সঙ্গে তুলে নেওয়া যায়।